নতুন রোটারি বর্ষ ২০২৬-২০২৭-কে স্বাগত জানিয়ে পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়নের বার্তা ছড়িয়ে দিতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করেছে রোটারি ক্লাব অব কুমিল্লা।
মঙ্গলবার (১ জুলাই) জগন্নাথপুর রোটারি চক্ষু হাসপাতাল প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়। রোটারিয়ানরা নিজ হাতে গাছ লাগিয়ে পরিবেশ সুরক্ষা এবং টেকসই উন্নয়নে বৃক্ষের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এসিস্টেন্ট কান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর রোটারিয়ান পাস্ট প্রেসিডেন্ট ডা. তৃপ্তীশ চন্দ্র ঘোষ, রোটারি ক্লাব অব কুমিল্লার সভাপতি রোটারিয়ান জীবন কৃষ্ণ চক্রবর্তী, রোটারিয়ান পাস্ট প্রেসিডেন্ট ডা. ছৈয়দ জুলফিকার হায়দার, রোটারিয়ান পাস্ট প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ ইকবাল আমিন, রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট মাসুদুর রহমান সিকদার, রোটারিয়ান মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট আব্দুল কাদের তাহের এবং রোটারিয়ান মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান।
বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণ অন্যতম কার্যকর উদ্যোগ। তাপমাত্রা বৃদ্ধি, পরিবেশ দূষণ এবং জীববৈচিত্র্যের ক্ষয় রোধে গাছের বিকল্প নেই। একটি গাছ শুধু অক্সিজেন সরবরাহ করে না। এটি মাটির ক্ষয়রোধ, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
তারা আরও বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণ এখন বৈশ্বিক অগ্রাধিকার। এ কারণে মানবসেবার পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষাকেও রোটারি ইন্টারন্যাশনাল গুরুত্ব দিচ্ছে। নতুন রোটারি বর্ষের শুরুতে এই কর্মসূচি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ, নিরাপদ ও বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ার প্রত্যয়ের প্রতিফলন।
অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারীরা রোপণ করা গাছগুলোর নিয়মিত পরিচর্যা ও সংরক্ষণের অঙ্গীকার করেন। একই সঙ্গে ব্যক্তি, পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সামাজিক সংগঠনকে নিয়মিত বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশবান্ধব কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান তারা।
বিশ্বজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি বাড়তে থাকায় বাংলাদেশেও বৃক্ষরোপণকে পরিবেশ সুরক্ষার অন্যতম কার্যকর উপায় হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিকল্পিত সবুজায়ন কার্বন শোষণ, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং নগর ও গ্রামীণ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।