মানুষ বড় অদ্ভুত এক মায়ার টানে পৃথিবীতে টিকে থাকে। সব হারানো এক মানুষ—নাম তার অর্জুন সুর। ৫৮ বছর বয়স তার। এই বয়সে মানুষের নাতি-নাতনিদের সঙ্গে সময় কাটানোর কথা ছিল। কিন্তু নিয়তির পরিহাস বড় নিষ্ঠুর। চাঁদপুর জেলার মতলব দক্ষিণ উপজেলার দক্ষিণ নলুয়া সুর বাড়ির এই মানুষটি এখন হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন।
মৃত গোপাল সুরের ছেলে অর্জুন সুর। এখন তার শরীরের প্রতিটি অঙ্গ যেন বিদ্রোহ ঘোষণা করেছে। কিডনি আর লিভার—মানুষের শরীরের এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রই আজ অকেজো। সবচেয়ে হৃদয়বিদারক দৃশ্য হলো তার দুই পা। পায়ে পানি জমে মারাত্মক ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে, যা পচন ধরিয়ে দিচ্ছে শরীরে। কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাদা দেয়ালগুলোর দিকে তাকিয়ে তিনি হয়তো নিজের অবহেলার কথা ভাবছেন। ভাবছেন, তার অনুপস্থিতিতে ওই পঞ্চম শ্রেণির শিশুটি আর প্রতিবন্ধী সন্তানটির কী হবে?
টাকা নেই। চিকিৎসা থেমে আছে টাকার অভাবে। এই সমাজে আমরা অনেকেই তো কত কী-ই না অপচয় করি। একবার কি ভেবে দেখেছি, আপনার-আমার একটুখানি সহমর্মিতা অর্জুন সুরের জীবনে কতটা আলোর ঝিলিক নিয়ে আসতে পারে?
অর্জুন সুরও হয়তো সেই ভরসার অপেক্ষায় আছেন। তিনি কাঁদছেন না, হয়তো চোখের পানি ফেলার শক্তিটুকুও তার শরীরে অবশিষ্ট নেই। তিনি শুধু চেয়ে আছেন এক চিলতে বাঁচার আশায়।
আপনার সামান্য সহযোগিতা, বিকাশ বা নগদ—যা কিছুই হোক, তা যদি পৌঁছায় তার চিকিৎসায়, তবে অর্জুন সুরের এই ক্ষতবিক্ষত জীবন হয়তো নতুন করে রাঙা হয়ে উঠবে। একটি অসহায় বাবার বেঁচে থাকার লড়াইয়ে সঙ্গী হতে চাইলে আপনি যোগাযোগ করতে পারেন এই নম্বরে: 01898-002520। আর মানবিকতার হাত বাড়িয়ে দিতে চাইলে বিকাশ করতে পারেন এই নম্বরে: 01633-027668।
মানুষ মানুষের জন্য—এই কথাটি কেবল বইয়ের পাতায় সুন্দর, বাস্তবে তা প্রয়োগ করার সময় এসেছে। আমরা কি পারি না একটি অসহায় পরিবারের মুখে শেষ মুহূর্তের হাসিটুকু ফিরিয়ে দিতে? আপনার সহানুভূতিই হতে পারে এক পিতার নতুন জীবনের শুরু।
আসুন, আমরা সবাই মিলে অর্জুন সুরের পাশে দাঁড়াই।