বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত বিমান সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহর বাড়িয়ে ২০৩৪–৩৫ অর্থবছরের মধ্যে ৪৭টি উড়োজাহাজে উন্নীত করার পরিকল্পনা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এই লক্ষ্য অর্জনে বোয়িং উড়োজাহাজ সংযোজনের বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।
বুধবার (২২শে এপ্রিল) ঢাকায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে এক সভায় এ বিষয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রী আফরোজা খানম। উপস্থিত ছিলেন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
সভায় ভবিষ্যৎ বহর পরিকল্পনার পাশাপাশি আগে নেওয়া উদ্যোগগুলোর অগ্রগতিও খতিয়ে দেখা হয়। বিশেষ করে নতুন উড়োজাহাজ কেনার ক্ষেত্রে কোন রুটে কত আয় হতে পারে এবং খরচ কত—এই বিষয়গুলো বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়।
মন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, প্রতিটি উড়োজাহাজ বহরে যুক্ত করার আগে আয়-ব্যয়ের বাস্তব চিত্র বিবেচনায় নিয়ে পরিকল্পনা করতে হবে। তার মতে, সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত ও কার্যকর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা সম্ভব। একই সঙ্গে যাত্রীসেবার মান বাড়ানোর দিকেও গুরুত্ব দিতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে। তিনি সরবরাহ প্রক্রিয়া যাতে সময়মতো সম্পন্ন হয়, সে বিষয়ে জোর দেন। বর্তমান সরকারের সময়েই নতুন উড়োজাহাজ বহরে যুক্ত করার লক্ষ্যে সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
এছাড়া, ঢাকা–নারিতা রুটে পুনরায় ফ্লাইট চালুর প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশনাও দেওয়া হয় সভায়। এই রুট চালু হলে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে যাত্রী ও বাণিজ্যিক যোগাযোগ আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।
সভায় মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আখতার এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।