ঐতিহাসিক ১৯ই মে ‘আসাম ভাষা শহিদ দিবস’ উপলক্ষে ঢাকায় প্রভাতফেরি, শ্রদ্ধাঞ্জলি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টায় কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে এ কর্মসূচির আয়োজন করে ভাষা আন্দোলন স্মৃতিরক্ষা পরিষদ।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ড. মোমতাজ উদ্দিন আহমেদ। সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক ডা. মআআ মুক্তাদীর।
সভায় উপস্থিত ছিলেন গবেষক মীর শামসুল আলম বাবু, লেখক খায়রুল ইসলাম, সংগঠক সৈয়দ খায়রুল আলম, কামাল ভূঁইয়া, লেখক গোলাম মোস্তফা তাপস, তানভীর ফারহানা ওয়াহেদ তুনা, কবি সাকিল হাসান, আবুল কালাম, মাহবুবুল হক, হাসানুল বান্না, ভাষা শহিদ আব্দুস সালাম–এর নাতি ফারুক আহমেদ, চিত্রশিল্পী রোকসানা আক্তার, আবুল হোসেন মুরাদ, রন্ধনশিল্পী মোসাঃ মনিমুক্তা, রিয়াদ মাহমুদ খানসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
আলোচনা সভায় বক্তারা ১৯৬১ সালের ১৯ই মে ভারতের আসাম-এ বাংলা ভাষাকে রাজ্যভাষা করার দাবিতে আত্মাহুতি দেওয়া ভাষা শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। এ সময় এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
বক্তারা বলেন, মাতৃভাষার অধিকার রক্ষার আন্দোলন কেবল একটি অঞ্চলের বিষয় নয়। এটি বাঙালির সাংস্কৃতিক ও ভাষাগত অস্তিত্বের সংগ্রামের অংশ। তারা আসামের ১১জন ভাষা শহিদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে সম্মিলিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
সভায় বক্তারা আরও বলেন, ১৯৬১ সালের ভাষা আন্দোলন উপমহাদেশের ভাষা অধিকার আন্দোলনের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। বাংলা ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় আসামের শহিদদের অবদান নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে।
অনুষ্ঠানের শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানানো হয়। একই সঙ্গে সংগঠনের ভবিষ্যৎ কার্যক্রমে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান আয়োজকরা।