শিক্ষা খাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়াতে নতুন আলোচনা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০শে এপ্রিল) শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ-এর সঙ্গে এক বৈঠকে এই বিষয়গুলো উঠে আসে।
বৈঠকে দক্ষতা উন্নয়ন ও শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন নিয়ে কথা হয়। দুই পক্ষই অভিজ্ঞতা বিনিময়ে আগ্রহ দেখিয়েছে। বিশেষ করে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা খাতে সহযোগিতার সম্ভাবনা গুরুত্ব পায়।
বাংলাদেশ সিঙ্গাপুরের টিভিইটি ব্যবস্থার অভিজ্ঞতা জানতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। সিঙ্গাপুর এই খাতে সফল একটি মডেল গড়ে তুলেছে। কর্মমুখী শিক্ষা, দক্ষতা প্রশিক্ষণ এবং শিল্পখাতের সঙ্গে সংযোগ তাদের ব্যবস্থার মূল শক্তি।
ভাষা শিক্ষা নিয়েও আলোচনা হয়। বহুভাষিক দক্ষতা উন্নয়নে সিঙ্গাপুরের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশ কাজে লাগাতে চায়। একই সঙ্গে আধুনিক শিক্ষাদান পদ্ধতি বা পেডাগজি নিয়েও মতবিনিময় হয়েছে।
নাগরিক শিক্ষা বা সিভিক এডুকেশন বিষয়টিও আলোচনায় গুরুত্ব পায়। শিক্ষার্থীদের দায়িত্ববোধ ও সামাজিক সচেতনতা গড়ে তুলতে এই বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ ধরনের সহযোগিতা বাংলাদেশের শিক্ষা খাতকে আরও বাস্তবমুখী করবে। দক্ষ জনশক্তি তৈরি সহজ হবে। আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা নিশ্চিত করতেও এটি সহায়ক হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন হলে এই উদ্যোগ দীর্ঘমেয়াদে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।