পেনাংয়ের ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ নিয়ে হাইকমিশনারের বৈঠক

পেনাংয়ে MICCI ও FMM প্রতিনিধিদের সঙ্গে বাংলাদেশের হাইকমিশনার মঞ্জুরুল করিম খান চৌধুরীর বৈঠক।

মালয়েশিয়ার পেনাং রাজ্যে বাংলাদেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে দেশটির ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে পৃথক দুটি বৈঠক করেছেন মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মঞ্জুরুল করিম খান চৌধুরী।

৭ ও ৮ সেপ্টেম্বর পেনাংয়ে মালয়েশিয়া ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমআইসিসিআই) এবং ফেডারেশন মালয়েশিয়ান ম্যানুফ্যাকচারিং-এর পেনাং শাখার প্রতিনিধিদের সঙ্গে এসব বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

এমআইসিসিআই-এর প্রেসিডেন্ট ডাতো ব্রায়ান তান গুয়ান হুই ডাতুক এবং বিভিন্ন খাতের প্রতিনিধিদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে দুই দেশের বিদ্যমান বাণিজ্য সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের জন্য মালয়েশিয়ার বাজার সম্প্রসারণের বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েও মতবিনিময় করেন অংশগ্রহণকারীরা।

বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বাড়ানোর সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়। বাংলাদেশে বিনিয়োগের সুযোগ নিয়েও আলোচনা হয়। একই সঙ্গে যৌথ বিনিয়োগ ও ব্যবসায়িক উদ্যোগ গ্রহণের সম্ভাবনা নিয়ে ব্যবসায়ী নেতাদের মধ্যে মতবিনিময় হয়।

পেনাংয়ে একটি ব্যবসায়িক ফোরাম আয়োজনের বিষয়টিও বৈঠকে গুরুত্ব পায়। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তাদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ আরও বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

এফএমএম-এর পেনাং শাখার প্রেসিডেন্ট ডাতো সেরি লি তেওং লি এবং সংগঠনটির সদস্যদের সঙ্গেও পৃথক বৈঠক করেন হাইকমিশনার। সেখানে মালয়েশিয়ার উৎপাদন ও শিল্প খাতের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসায়িক সহযোগিতা বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকগুলোতে দুই দেশের ব্যবসায়ী নেতাদের মধ্যে সক্রিয় যোগাযোগ এবং সফর বিনিময়ের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়। নিয়মিত যোগাযোগের মাধ্যমে ব্যবসার নতুন ক্ষেত্র চিহ্নিত করার বিষয়ে উভয় পক্ষ আগ্রহ প্রকাশ করে।

এ সময় ব্যবসায়িক চেম্বারগুলোর ভাইস চেয়ারম্যান এবং অন্যান্য কমিটি মেম্বার উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন হাইকমিশনের ডেপুটি হাইকমিশনার, পেনাংয়ে বাংলাদেশের অনারারি কনসাল, প্রথম সচিব (বাণিজ্যিক) এবং তৃতীয় সচিব (রাজনৈতিক)।

বৈঠকগুলোতে বাংলাদেশের রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণ, মালয়েশিয়ার বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং দুই দেশের বেসরকারি খাতের মধ্যে সরাসরি অংশীদারত্ব তৈরির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *