যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে রপ্তানি বহুমুখীকরণ, বাজারে প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগ প্রবাহ বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
রাজধানীর হোটেল শেরাটন-এ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য অংশীদার। দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য প্রতি বছর বাড়ছে, তবে রপ্তানি খাতে এখনো একধরনের নির্ভরতা রয়ে গেছে।
অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (অ্যামচ্যাম)। “যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব জোরদারকরণ” শীর্ষক এই আয়োজনে ব্যবসায়ী, নীতিনির্ধারক এবং বিনিয়োগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের রপ্তানির বড় অংশই আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে। এই একমুখী নির্ভরতা দীর্ঘমেয়াদে ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। তাই নতুন নতুন পণ্যে রপ্তানি বাড়ানো এবং নতুন বাজারে প্রবেশের সুযোগ তৈরি করা জরুরি।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের পণ্যের প্রবেশাধিকার বাড়ানো গেলে দেশের রপ্তানি আয় আরও বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে পারলে শিল্প খাতের সক্ষমতা বাড়বে এবং কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ বাণিজ্য সম্পর্ক ইতিবাচক ধারায় এগোচ্ছে। তবে এই সম্পর্ককে আরও গভীর করতে নীতি সহায়তা, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
বিশ্লেষকদের মতে, রপ্তানি বহুমুখীকরণ ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে বাংলাদেশ তার অর্থনীতিকে আরও স্থিতিশীল ও প্রতিযোগিতামূলক করে তুলতে পারে।