ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের দশম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও চীনা চলচ্চিত্র দিবস উদযাপিত হয়েছে। বুধবার (১৪ই অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের মিলনায়তনে এ উপলক্ষে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-মোজাদ্দেদী আল-ফেছানী। এতে বক্তব্য দেন ঢাকায় অবস্থিত চীনা দূতাবাসের সাংস্কৃতিক কাউন্সেলর লি শাওপেং এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আবছার কামাল। কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের চীনা পরিচালক ড. ইয়াং হুই ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী বলেন, চীনা ভাষা শিক্ষা, সাংস্কৃতিক বিনিময় ও শিক্ষাক্ষেত্রে সহযোগিতায় কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। এ প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের চীনা ভাষা শেখার সুযোগ দিচ্ছে। পাশাপাশি চীনা সংস্কৃতি ও সমাজ সম্পর্কে জানার পথ তৈরি করছে।
তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বন্ধুত্ব এবং পারস্পরিক বোঝাপড়ার সেতু হিসেবে কাজ করছে। দুই দেশের সহযোগিতা আরও জোরদার করতে তিনি ইনস্টিটিউটের স্নাতকদের কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
অধ্যাপক আলফেছানী বলেন, শিক্ষকতা, গবেষণা, অনুবাদ, কূটনীতি ও ব্যবসাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজের মাধ্যমে স্নাতকেরা দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে অবদান রাখতে পারেন।
চীনা দূতাবাসের সাংস্কৃতিক কাউন্সেলর লি শাওপেং বলেন, চলচ্চিত্রের কোনো সীমানা নেই। সংস্কৃতি মানুষকে একত্রিত করে। চলচ্চিত্র এমন একটি শিল্পমাধ্যম, যা ভাষার বাধা অতিক্রম করতে পারে।
তিনি আরও বলেন, দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ ও আদান-প্রদান চীন-বাংলাদেশের সমন্বিত কৌশলগত অংশীদারত্বের ভিত্তি। চীনা ভাষা শেখা এবং এর ব্যবহারের মাধ্যমে চীনের আধুনিকায়নের পেছনের কারণগুলো জানার জন্য তিনি সবার প্রতি আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে চীনা ভাষা শিক্ষা, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং চলচ্চিত্রের মাধ্যমে দুই দেশের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়ানোর বিষয়টি গুরুত্ব পায়। প্রতিষ্ঠার এক দশকে কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের কার্যক্রম এবং বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক উন্নয়নে এর ভূমিকা আলোচনায় উঠে আসে।