নারীদের কূটনীতিতে নেতৃত্ব জোরদারে সিজিএসের বিশেষ পডকাস্ট

আন্তর্জাতিক নারী কূটনীতিক দিবস উপলক্ষে নারীদের কূটনীতি ও পররাষ্ট্রনীতিতে নেতৃত্বের গুরুত্ব তুলে ধরতে বিশেষ একটি পডকাস্টের আয়োজন করেছে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস)। নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের সহযোগিতায় আয়োজিত এই পর্বের শিরোনাম ছিল “ব্রেকিং দ্য গ্লাস সেইলিং: উইমেন শেপিং ডিপ্লোম্যাসি এন্ড ফরেন পলিসি”

আলোচনায় কূটনীতি ও পররাষ্ট্রনীতিতে নারীদের ক্রমবর্ধমান ভূমিকা, পেশাগত সাফল্য, নেতৃত্বের পথে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ এবং আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বৈচিত্র্যময় নেতৃত্ব গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।

পডকাস্টে অংশ নেন বাংলাদেশে নিযুক্ত নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত জোরিস ভ্যান বোমেল, বাংলাদেশের প্রথম নারী ক্যারিয়ার কূটনীতিক নাসিম ফিরদৌস এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের প্রথম নারী শিক্ষক অধ্যাপক আমেনা মহসীন।

আলোচনা সঞ্চালনা করেন সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজের নির্বাহী পরিচালক পারভেজ করিম আব্বাসী।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বিশ্ব কূটনীতিতে নারীদের অংশগ্রহণ গত কয়েক দশকে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তবুও নীতিনির্ধারণী পর্যায় ও নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ পদে নারীদের প্রতিনিধিত্ব এখনও প্রত্যাশিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। সমতা ও কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণ নিশ্চিত করতে কূটনৈতিক অঙ্গনে নারীদের জন্য আরও অনুকূল পরিবেশ তৈরির ওপর তারা গুরুত্বারোপ করেন।

তারা উল্লেখ করেন, জলবায়ু পরিবর্তন, শান্তি প্রতিষ্ঠা, মানবাধিকার, অভিবাসন ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার মতো বৈশ্বিক ইস্যু মোকাবিলায় নারীদের অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে। এ কারণে পররাষ্ট্রনীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের প্রতিটি স্তরে নারীদের অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা সময়ের দাবি।

সিজিএস জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক নারী কূটনীতিক দিবসকে সামনে রেখে আয়োজিত এই বিশেষ পডকাস্টটি শিগগিরই তাদের বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রকাশ করা হবে।

উল্লেখ্য, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ২০২২ সালে ২৪শে জুনকে আন্তর্জাতিক নারী কূটনীতিক দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। এর লক্ষ্য হলো আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও কূটনৈতিক অঙ্গনে নারীদের অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়া এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণ আরও শক্তিশালী করা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *