বাংলাদেশে নারী শান্তিরক্ষীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে নতুন এক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কানাডা ও বাংলাদেশ যৌথভাবে এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।
রাজধানীর কাছে অবস্থিত বাংলাদেশ ইন্সটিটিউ অব পিস সাপোর্ট অপারেশন ট্রেনিং (BIPSOT)-এ নারী শান্তিরক্ষীদের জন্য একটি বিশেষ আবাসন সুবিধার নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে নারীদের প্রশিক্ষণ ও অংশগ্রহণে দীর্ঘদিনের একটি বড় বাধা দূর করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
এই উদ্যোগটি বাস্তবায়নে সহায়তা দিচ্ছে এলসি ইনিশিয়েটিভ ফান্ড। এটি কানাডার নেতৃত্বে পরিচালিত একটি আন্তর্জাতিক তহবিল। লক্ষ্য হলো জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নারীদের কার্যকর অংশগ্রহণ বাড়ানো।
প্রকল্পটি বাস্তবায়নে কাজ করছে UNOPS বাংলাদেশ, UN উওমেন বাংলাদেশ এবং BIPSOT। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো বলছে, নিরাপদ ও উপযুক্ত আবাসন না থাকায় অনেক নারী শান্তিরক্ষী প্রশিক্ষণ ও মিশনে অংশ নিতে পারেন না। নতুন ডরমিটরি এই সমস্যার সরাসরি সমাধান দেবে।
বাংলাদেশ বিশ্বে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অন্যতম বড় অবদানকারী দেশ। প্রতি বছর হাজারো শান্তিরক্ষী বিভিন্ন দেশে দায়িত্ব পালন করেন। তবে নারীদের অংশগ্রহণ এখনও তুলনামূলক কম।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, অবকাঠামোগত সহায়তা বাড়লে নারী অংশগ্রহণ দ্রুত বাড়বে। এতে শুধু সংখ্যা নয়, নেতৃত্বেও নারীরা এগিয়ে আসবেন।
কানাডা জানিয়েছে, তারা বাংলাদেশকে সঙ্গে নিয়ে শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্তি ও দক্ষতা বাড়াতে কাজ চালিয়ে যাবে। এই সহযোগিতা দুই দেশের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে বলেও আশা করা হচ্ছে।