উচ্চমূল্যের ফল উৎপাদন বাড়িয়ে কৃষকদের আয় বৃদ্ধি এবং টেকসই কৃষি সম্প্রসারণের লক্ষ্য নিয়ে কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ‘মধুবালা’ জাতের তরমুজ প্রদর্শনীর মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, এ জাতের তরমুজের ফলন ও বাজারমূল্য দুটিই আশাব্যঞ্জক। আধুনিক প্রযুক্তি অনুসরণ করে চাষ করলে কৃষকরা তুলনামূলক বেশি লাভবান হতে পারেন।
বৃহস্পতিবার (৯ই জুলাই) দৌলতপুর উপজেলার কল্যাণপুর গ্রামে যশোর অঞ্চলে টেকসই কৃষি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় এ মাঠ দিবসের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষিবিদ মো. আলমগীর বিশ্বাস, অতিরিক্ত পরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (যশোর অঞ্চল)। সভাপতিত্ব করেন কৃষিবিদ ডা. মো. শওকত হোসেন ভূইয়া, উপপরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই), কুষ্টিয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন মো. ওয়াহিদুজ্জামান, অতিরিক্ত উপপরিচালক (ক্রপ), কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, কুষ্টিয়া।
স্বাগত বক্তব্যে দৌলতপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রেহেনা পারভিন বলেন, প্রকল্পের মাধ্যমে উচ্চমূল্যের ফলের আবাদ সম্প্রসারণ, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং কৃষকদের লাভজনক কৃষিতে উৎসাহিত করতে বিভিন্ন প্রদর্শনী ও মাঠ দিবস আয়োজন করা হচ্ছে। তিনি জানান, ‘মধুবালা’ জাতের তরমুজের প্রদর্শনী ইতোমধ্যে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. আলমগীর বিশ্বাস বলেন, বর্তমান কৃষিতে ফসলের বহুমুখীকরণ এবং উচ্চমূল্যের ফসলের চাষ বাড়ানো সময়ের গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজন। তাঁর মতে, ‘মধুবালা’ জাতের তরমুজের উৎপাদন ভালো হওয়ার পাশাপাশি বাজারেও এর চাহিদা ও মূল্য আশাব্যঞ্জক। কৃষি বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী আধুনিক ও টেকসই প্রযুক্তি ব্যবহার করে চাষ করলে কৃষকরা আরও বেশি লাভবান হতে পারবেন।
সভাপতির বক্তব্যে ডা. মো. শওকত হোসেন ভূইয়া বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে টেকসই কৃষি গড়ে তুলতে কৃষকদের কাছে লাভজনক ও জলবায়ু-সহনশীল প্রযুক্তি পৌঁছে দিতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে। উচ্চমূল্যের ফল উৎপাদনের মাধ্যমে কৃষকের আয় বৃদ্ধি এবং পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এ প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য বলে তিনি উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা ‘মধুবালা’ তরমুজের প্রদর্শনী প্লট পরিদর্শন করেন এবং কৃষকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। মাঠ দিবসে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা, কৃষি উদ্যোক্তা এবং বিপুলসংখ্যক কৃষক অংশ নেন।
কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা আশা করছেন, এ ধরনের প্রদর্শনী কৃষকদের নতুন ও লাভজনক জাতের ফল চাষে উৎসাহিত করবে। এর ফলে স্থানীয় পর্যায়ে উচ্চমূল্যের ফল উৎপাদন বাড়বে, কৃষকের আয় বৃদ্ধি পাবে এবং টেকসই কৃষি সম্প্রসারণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
ফরিদ আহম্মেদ
দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি
খুবই তথ্যবহুল ও সুন্দর প্রতিবেদন। এমন গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ প্রকাশের জন্য ধন্যবাদ। ভবিষ্যতেও নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করবেন—এই প্রত্যাশা রইল।
ইমেইল (Email):
foridahmed@example.com (আপনার নিজের ইমেইল ঠিকানা ব্যবহার করুন)
ওয়েবসাইট (Website):
https://www.example.com� (ওয়েবসাইট না থাকলে ফাঁকা রাখুন)
Save my name, email, and website in this browser for the next time I comment.
✔️ টিক চিহ্ন দিন (পরবর্তীতে আবার তথ্য লিখতে হবে না)।