বেনগাজী বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ নিয়ে আলোচনা

বেনগাজী বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ পরিদর্শন করছেন লিবিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত।

লিবিয়ার বেনগাজী বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি, শিক্ষক ও গবেষক বিনিময় এবং যৌথ গবেষণা কার্যক্রম সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা করেছেন লিবিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল মো. হাবীব উল্লাহ এবং বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইজউদ্দিন আল-দারসি।

৮ই  অক্টোবর বেনগাজী বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শনকালে তাঁদের মধ্যে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বাংলাদেশ ও লিবিয়ার মধ্যে উচ্চশিক্ষা, গবেষণা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ে সহযোগিতা বাড়ানোর বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানান। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম সম্পর্কে তাঁকে অবহিত করেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এবং অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধার বিষয়েও তুলে ধরেন তিনি।

রাষ্ট্রদূত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার পরিবেশ এবং উন্নয়ন কার্যক্রমের প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশের সঙ্গে লিবিয়ার শিক্ষা ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন। দুই দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে যোগাযোগ ও পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

বৈঠকে বেনগাজী বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে শিক্ষা ও গবেষণায় সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে মতবিনিময় হয়। শিক্ষক ও গবেষক বিনিময়, যৌথ গবেষণা কার্যক্রম এবং বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য উচ্চশিক্ষার সুযোগ তৈরির বিষয়গুলো আলোচনায় গুরুত্ব পায়।

এ ছাড়া শিক্ষাবৃত্তির সুযোগ সম্প্রসারণ এবং দুই দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ওপর জোর দেওয়া হয়। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দুই দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে যোগাযোগ বাড়ার পাশাপাশি শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্যসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম কাউন্সেলরও অংশ নেন।

বৈঠক শেষে উপাচার্য রাষ্ট্রদূতকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ ও কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার ঘুরিয়ে দেখান। এ সময় রাষ্ট্রদূত বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে ধারণা নেন।

সফর শেষে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও লিবিয়ার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে শিক্ষা, গবেষণা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের মাধ্যমে আরও সুদৃঢ় করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *