সরকারি কর্মসম্পাদন পরিবীক্ষণ পদ্ধতি (জিপিএমএস) সরকারের জনমুখী প্রচার কার্যক্রমকে আরও বেগবান করবে বলে জানিয়েছেন গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের নবনিযুক্ত মহাপরিচালক এস এম আব্দুর রহমান।
তিনি বলেন, নতুন এই মূল্যায়ন পদ্ধতির মাধ্যমে সরকারি দপ্তরের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন নিশ্চিত করা সম্ভব। একই সঙ্গে জনসেবার মানও উন্নত হবে।
শনিবার (১২ই সেপ্টেম্বর) রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে দুই দিনব্যাপী জিপিএমএস কর্মপরিকল্পনা অবহিতকরণ কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। কাপ্তাই তথ্য অফিসের আয়োজনে বড়ইছড়ির উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের সম্মেলন কক্ষে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
এস এম আব্দুর রহমান বলেন, গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের প্রচার কার্যক্রমের সাফল্য শুধু কতটি উঠান বৈঠক, কমিউনিটি সভা, চলচ্চিত্র প্রদর্শনী বা গণসংলাপ হয়েছে—তা দিয়ে নির্ধারণ করা হবে না। কতজন মানুষের কাছে উন্নয়ন বার্তা পৌঁছেছে, জনগণ সেই বার্তা কতটা গ্রহণ করেছে এবং এর কী ফল হয়েছে, সেটিও মূল্যায়নের আওতায় আসবে।
তিনি বলেন, জিপিএমএসের আওতায় তিন বছর মেয়াদি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। এর ফলে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো আরও পরিকল্পিত ও ফলাফলভিত্তিকভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে।
মহাপরিচালক কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের জিপিএমএস কর্মপরিকল্পনা যথাযথভাবে প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।
গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের পরিচালক মীর মোহাম্মদ আসলাম উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন উপপরিচালক (মাঠ প্রচার) ফাহিমা জাহান। মূল প্রবন্ধের ওপর আলোচনা করেন ময়মনসিংহ তথ্য অফিসের পরিচালক মীর আকরাম।
কর্মশালায় রাজশাহী ও ময়মনসিংহ বিভাগ এবং গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের সদর দপ্তরের কর্মকর্তারা অংশ নেন। তারা জিপিএমএস কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন, বাস্তবায়ন ও অগ্রগতি মূল্যায়ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ নেন।
এ ছাড়া নির্ধারিত নির্দেশিকার আলোকে কর্মশালায় কর্মকর্তাদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। দুই দিনব্যাপী কর্মশালায় সরকারি প্রচার কার্যক্রমকে আরও পরিকল্পিত ও ফলাফলভিত্তিক করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।