বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড বাণিজ্য ও সংযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত আরোপ

বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ড  দুই দেশ উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, আঞ্চলিক সংযোগ সম্প্রসারণ এবং জনগণের মধ্যে সম্পর্ক আরও গভীর করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে।

শুক্রবার (২৪শে জুলাই) সকালে ব্যাংককে থাইল্যান্ডের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দেশটির উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী এইচ.ই. মি. ভিজাভাত ইসারাভাকদির সঙ্গে বৈঠক করেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা এইচ.ই. মো. হুমায়ুন কবির।

বৈঠকে দুই নেতা বাংলাদেশ-থাইল্যান্ডের দীর্ঘদিনের বহুমাত্রিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে একমত হন। তারা নিয়মিত উচ্চপর্যায়ের সফর ও সংলাপ অব্যাহত রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।

আলোচনায় দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন এবং ব্যবসায়িক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয় গুরুত্ব পায়। একই সঙ্গে শিক্ষা, পর্যটন, সংস্কৃতি এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির মাধ্যমে সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার বিষয়েও মতৈক্য হয়।

বৈঠকে বিদ্যমান সব দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা কাঠামোকে কার্যকরভাবে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি নতুন সম্ভাবনাময় খাতে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়েও আলোচনা হয়। উভয় পক্ষের লক্ষ্য, বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড সম্পর্ককে আরও উচ্চ পর্যায়ে উন্নীত করা।

এ সময় আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যুতেও সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়। উভয় দেশ বহুপাক্ষিক প্ল্যাটফর্মে পারস্পরিক সমর্থন ও সমন্বয় আরও বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করে।

বৈঠকে থাইল্যান্ডে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতও উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের কূটনৈতিক সম্পর্ক পাঁচ দশকেরও বেশি সময়ের। দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে বাণিজ্য, সংযোগ, পর্যটন এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারে দুই দেশের সম্পর্ককে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বিনিয়োগ এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও দুই দেশ নতুন উদ্যোগ নিয়ে কাজ করছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *