বাংলাদেশ ফুটবলে নতুন সম্ভাবনার নাম অ্যাডাম আব্বাস। ইউরোপে বেড়ে ওঠা এই তরুণ ফরোয়ার্ডকে এবার দেখা যাবে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ দলের জার্সিতে। দেশের আক্রমণভাগে দীর্ঘদিনের ঘাটতি পূরণে তাকে ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন আশা।
অ্যাডাম আব্বাস ইংল্যান্ডভিত্তিক ক্লাব বার্নলি এফসি-এর অনূর্ধ্ব-১৮ দলে খেলেছেন। এর আগে তিনি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড-এর একাডেমিতেও সময় কাটিয়েছেন। ইউরোপীয় ফুটবল কাঠামোর ভেতরে প্রশিক্ষণ পাওয়া এই ফরোয়ার্ডের গতি, পজিশনিং এবং ফিনিশিং দক্ষতা ইতোমধ্যে নজর কেড়েছে কোচদের।
তার নাগরিকত্ব রয়েছে নাইজেরিয়া, জ্যামাইকা এবং ইংল্যান্ডে। তবুও তিনি আন্তর্জাতিক ফুটবলে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পারিবারিক শেকড়ের টানেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানা গেছে। দেশের ফুটবল সংশ্লিষ্টরা এটিকে ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখছেন।
বাংলাদেশ জাতীয় দলের বয়সভিত্তিক পর্যায়ে প্রবাসী খেলোয়াড় যুক্ত হওয়ার প্রবণতা নতুন নয়। তবে অ্যাডামের মতো ইউরোপীয় একাডেমিতে গড়া ফরোয়ার্ডের অন্তর্ভুক্তি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে গোলসংকটে ভোগা দলটির জন্য তিনি হতে পারেন কার্যকর সমাধান।
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন ইতোমধ্যে তাকে দলে অন্তর্ভুক্তির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে বলে জানা গেছে। খুব শিগগিরই অনূর্ধ্ব-২০ দলের প্রস্তুতি ক্যাম্পে যোগ দেবেন এই তরুণ স্ট্রাইকার।
ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, বয়সভিত্তিক দল থেকেই আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় তৈরি করতে হলে এমন প্রতিভাদের নিয়মিত সুযোগ দিতে হবে। অ্যাডাম আব্বাস সেই ধারার একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন ।
বাংলাদেশের ফুটবল সমর্থকরাও তাকে ঘিরে আশাবাদী। এখন দেখার বিষয়, মাঠের পারফরম্যান্সে কত দ্রুত তিনি এই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে পারেন।